ব্রেকিং নিউজঃ ইভ্যালির গ্রাহকদের জন্য সুসংবাদ দিলেন হাইকোর্ট

ব্রেকিং নিউজঃ ইভ্যালির গ্রাহকদের জন্য সুসংবাদ দিলেন হাইকোর্ট

মহামান্য হাইকোর্ট ইভ্যালির পঞ্চাশ শতাংশ শেয়ার হস্তান্তরের অনুমতি দিয়েছেন, জনাব রাসেলের পরিবারের তিন সদস্যকে। তারা হলেন জনাব রাসেলের শ্বশুর রফিকুল আলম তালুকদার, শাশুড়ি ফরিদা তালুকদার ও বায়রা ভাই জনাব মামুনুর রশিদ।

শ্বশুর-শাশুড়ি মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আদালতে সশরীরে হাজির হন। তারা আদালতকে জানান, ইভ্যালি পুনর্গঠনের জন্য তারা কাজ করছেন। যারা ইভ্যালির কাছে টাকা-পয়সা ও পণ্য পাবেন সেগুলো ফেরত দেওয়ার বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে চান তারা।

একই সাথে ইভ্যালির পরিচালনা বোর্ডকে সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। তার আগে ১৫ ফেব্রুয়ার মঙ্গলবার এই বিষয় শুনানি হয়।

আদালতে ইভ্যালির বোর্ডের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মোরশেদ আহমেদ খান। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ মাহসিব হোসাইন।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও তাঁর স্ত্রী শামীমা নাসরিনের (ইভ্যালির চেয়ারম্যান) শেয়ার কেনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন রাসেলের শ্বশুর, শাশুড়ি ও পরিবারের সদস্যরা। বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক কোম্পানি বেঞ্চে হাজির হয়ে বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) তাঁরা মৌখিকভাবে এই ইচ্ছার কথা বলেন। আদালত তাঁদের পরিকল্পনা ও অভিপ্রায় হলফনামা আকারে ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দাখিল করতে বলেছেন এবং তারা মঙ্গলবার দাখিল করা আদালত এই অনুমতি দিয়েছেন।

ব্যারিস্টার সৈয়দ মাহসিব হোসাইন বলেন, ইভ্যালির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চেয়ারম্যান জেলখানায় অবস্থান করছেন। এ অবস্থায় পুরো হস্তান্তর প্রক্রিয়া তাদের জেলখানায় থাকা অবস্থাতে হবে। রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াও জেল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে হবে। ওনাদের শেয়ারগুলো তাদের আত্মীয়-স্বজনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তখন তারা ইভ্যালি পুনর্গঠনের পাশাপাশি পরিচালনা বোর্ডকে সহযোগিতা করবেন।

এই আদেশের ফলে ইভ্যালি পুণরায় চালু হওয়ার পথ সুগম হচ্ছে। ইভ্যালির গ্রাহকরা সুখবর পেতে যাচ্ছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Rate this post
%d bloggers like this: