মার্চেন্ট ও ভোক্তারা দাবি জানিয়ে ইভ্যালির কমিটির কাছে চিঠি

মার্চেন্ট ও ভোক্তারা দাবি জানিয়ে ইভ্যালির কমিটির কাছে চিঠি

ইভ্যালির মার্চেন্ট ও ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার্থে কমিটি যেন সকল সিদ্ধান্ত নেন, তা জানিয়ে আজ সমবার সকাল ১১.৩০ টায় দিকে প্রায় একশত গ্রাহক ও মার্চেন্ট উপস্থিতিতে হাইকোর্ট নিযুক্ত বোর্ড কমিটির এমডি জনাব মাহবুব কবির মিলন সাহেবর নিকট জমা দেওয়া হয়।

চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়, ইভ্যালির স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় মার্চেন্টের ব্যবসা বন্ধ, ব্যাংক ঋণ এবং সাপ্লাইয়ের ক্রেডিটের জন্য অমানবিক জীবন যাপন করছে। ভোক্তারা তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই উক্ত কমিটির কাঙ্ক্ষিত কাজে সহায়ক হতে পরিচালনা কমিটিতে মার্চেন্ট এবং ভোক্তাদের কমপক্ষে এক জন প্রতিনিধি থাকা প্রয়োজন। ইভ্যালির অডিট সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত স্থাবর-অস্থাবর সকল সম্পত্তি বিক্রয় বা অন্যত্র হস্তান্তর থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছ।

ইভ্যালি আন্দোলন সম্বনায়ক মোঃ নাসির উদ্দিন স্বাক্ষরিত চিঠি হাইকোর্ট নিযুক্ত বোর্ড কমিটির এমডি জনাব মাহবুব কবির মিলন সাহেব জমা নিয়েছে। চিঠি হস্তান্তর করেন আন্দোলন কো-সম্বনায়ক সাকিব হাসান ও ইভ্যালি ফ্যানস ক্লাবের এডমিন মোফতাছিম বিল্লাহ নাহিদ। চিঠি গ্রহণ করে জনাব মাহবুব কবির মিলন সাহেব বলেন পরবর্তী বোর্ড মিটিংয়ে এই চিঠি নিয়ে আলোচনা করা হবে এবং আসস্থ করেন ইভ্যালি ও গ্রাহকের জন্য ভাল কিছুই করবেন।

তার আগে ইভ্যালির সিইও জনাব মোহাম্মদ রাসেল এবং চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে নজরদারির মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য ৬ (ছয়) মাস সময় দিয়ে ২০,১৮২ (বিশ হাজার একশত বিরাশি) জন মার্চেন্ট এবং ভোক্তার স্বাক্ষর সহ বোর্ড কমিটির নিকট পেশ করা হয়েছে গত ২৩ ডিসেম্বেরে।

উল্লেখ যে, ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যান নামে আনুমানিক মোট ৮ টি মামলা আছে। যার মধ্যে নিন্ম আদালতে মোট চার মামলা জামিন পেয়েছেন ও একটি মামলা উচ্চ আদালতে শুনানি অপেক্ষা আছে। তা ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় চেক সংক্রান্ত মামলা আছে কিছু। উল্লেখ্য, প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ-আত্মসাতের অভিযোগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে রাসেল ও শামীমাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তারা কারাগারে আছেন।

Rate this post
%d bloggers like this: